কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫ এ ০৮:২২ PM

ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী, নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব)

কন্টেন্ট: পাতা

 

 

ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৬ আগস্ট ২০২৫ তারিখ। পদোন্নতির পর একই তারিখে তিনি প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের অধীন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের পঞ্চদশ ব্যাচের কর্মকর্তা। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ত্ব গ্রহণের আগে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’ উইং এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি, একই মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘আমদানী ও রপ্তানী প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়’ এর প্রধান নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)  এবং বাণিজ্য সংগঠনের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব)  হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় ৩০ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রশাসনের মাঠ পর্যায়ে ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন পদে দায়িত্বপালন করে ড. নাজনীন ‘ভ্যালু এড’ করে প্রতিটি কর্মস্থলকে তাঁর মেধা, যোগ্যতা ও কর্মদক্ষতা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। পাশাপাশি, কূটনীতিবিদ হিসেবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘অর্থনৈতিক উইং’ এর প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের হয়ে তিনি প্রভূত অবদান রেখেছেন।  

 

‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’ উইং এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ত্ব পালনকালে ড. নাজনীন সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থ ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’য় এবং এর বিভিন্ন প্ল্যাটফরমে ও ফোরামে বাংলাদেশের ‘কান্ট্রি ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। কর্মজীবনে ড. নাজনীন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরমে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্ক নেগোসিয়েশন’ এর যাবতীয় কাজের মূল সমন্বয়কের দায়িত্ত্ব পালন, ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্ক নেগোসিয়েশন কমিটি’ এর কো-লীড এবং ‘নেগোসিয়েশন কোর গ্রুপ’ এর সদস্য হিসেবে নেগোসিয়েশন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ। এক্ষেত্রে আলোচক দল অসাধারণ কৌশলগত দক্ষতা ও দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। উল্লেখ্য, আলোচক দলকে অভিনন্দন জানিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে ৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ‘অভিনন্দন প্রস্তাব’ গৃহীত হয়েছে, যা সকলের অবগতির জন্য ১২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।        

 

ড. নাজনীন বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতি বাস্তবায়ন ও আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান সুদৃঢ়করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর সাথে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি; বাণিজ্য সহজীকরণ সংক্রান্ত সরকার কর্তৃক গৃহীত ও উন্নয়ন সহযোগীর সহযোগিতায় পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট ও পরামর্শক কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রকল্প বাস্তবায়ন; ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে বাণিজ্য সহজীকরণ, সম্প্রসারণ ও বাস্তবায়ন এবং ‘বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা’ উইং প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন পরবর্তী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি অর্থনীতি ও বাণিজ্য নীতি সম্পর্কিত উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন নীতি সংলাপ (Policy Dialogue)-এ প্যানেলিস্ট, আলোচক ও মডারেটর হিসেবে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫’ এর উচ্চ পর্যায়ের নীতি সংলাপ (Policy Dialogue)-এ প্যানেলিস্ট হিসেবে অংশগ্রহণ। তিনি জনপ্রশাসন, অর্থনৈতিক নীতি এবং জেন্ডার-ইনক্লুসিভ নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং লিঙ্গ সমতার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার দেশে-বিদেশে অনেককে অনুপ্রাণিত করে।

 

ড. নাজনীন একজন প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও গবেষক হিসেবে দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন অর্থ বিভাগের সামষ্টিক অর্থনীতি উইং এ গবেষক, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ‘অস্ট্রেলিয়া-জাপান রিসার্চ সেন্টার’ এ গবেষণা সহকারী ও ‘ক্রফোর্ড স্কুল অফ ইকনমিক্স এন্ড গভর্ণম্যান্ট’ এর বিভিন্ন গবেষণা পত্রের রিভিউয়ার, আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘অস্ট্রেলিয়ান জার্নাল অফ এগ্রিকালচার এন্ড রিসোর্স ইকনমিক্স’ এর ‘ম্যানুস্ক্রিপ্ট রিভিউয়ার’ হিসেবে দায়িত্বপালন। উল্লেখ্য, তাঁর বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও নীতিমালায় সংযোজিত হয়েছে এবং বাস্তবায়িত হচ্ছে। ড. নাজনীন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ANU) ও চিটাগাং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (CIU)’তে সামষ্টিক অর্থনীতি ও অর্থনীতির বিভিন্ন বিষয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক ও Adjunct Professor হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন। একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে ড. নাজনীন দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রফেশনাল নেটওয়ার্কের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবেও ড. নাজনীন যথেষ্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ত্ব হিসেবে পরিচিত। ড. নাজনীন প্রাবন্ধিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হিসেবেও যথেষ্ট জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় হতে অর্থনীতিতে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান এবং অনার্সে মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ড. নাজনীন পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের মেধা বৃত্তি (অস্ট্রেলিয়ান লীডারশীপ এওয়ার্ড স্কলারশীপ ও অস্ট্রেলিয়ান ডেভেলপম্যান্ট স্কলারশীপ, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া এওয়ার্ডস) নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ANU) থেকে অর্থনীতিতে তিনটি উচ্চতর ডিগ্রী (গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা, এমএস ও পিএইচডি) সম্পন্ন করেন এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী (গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও এমএস)’তে ‘High Distinction’ অর্জন করেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার মূল বিষয় ছিল ‘প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ এবং কেইস স্টাডি ছিল- সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, যেটি ‘ব্লু-ইকনমি’ হিসেবে পরিচিত। তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অর্থনীতি ছাত্র-ছাত্রী সমিতির আজীবন সদস্য এবং অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও ইউরোপের বেশ ক’টি অর্থনীতি সমিতির সদস্য।

 

তিনি দেশের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া হতে ‘তথ্য জ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি’ ও ‘গ্র্যাজুয়েট টিচিং প্রোগ্রাম’; ইউনিভার্সিটি অফ কুইন্সল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া হতে ‘দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা’; ম্যাককুয়ার ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া হতে ‘কার্যকর সরকার ব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়ন’; এডিলেইড ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া হতে ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নেগোসিয়েশন’; ইউনিভার্সিটি পুত্রা, মালয়েশিয়া  হতে ‘প্রশাসন ও উন্নয়ন’; অস্ট্রেলিয়া এওয়ার্ডস সাউথ এন্ড ওয়েস্ট এশিয়ার সদর দপ্তর শ্রীলংকা হতে ‘নেতৃত্বে নারী’; আইএমএফ এর আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র সিংগাপুর হতে ‘সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনার পুনর্গঠন’; অস্ট্রেলিয়ান সরকারের Foreign Affairs & Trade দপ্তর হতে ‘নেতৃত্বের উন্নয়ন’; বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সুইজারল্যান্ড হতে ‘স্যানিটারী ও ফাইটো-স্যানিটারী’, ‘ইনফরমেশন ট্যাকনোলজি’ ও ‘ট্রেড রিলেটেড আসপেক্টস অফ ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটস’ এবং ডেনমার্কের ডানিডা ফেলোশিপ সেন্টার হতে ‘অরগ্যানাইজেশনাল চেইঞ্জ ম্যানেজম্যান্ট’।

 

ড. নাজনীন দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিশুকাল থেকে ক্লাস মনিটর হিসেবে তাঁর নেতৃত্বের যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে এর ধারাবাহিকতাক্রমে বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলি অস্ট্রেলিয়াতে পড়াশোনাকালেও অব্যহত থাকে। অস্ট্রেলিয়ায় দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর অবস্থানকালে ড. নাজনীন বিভিন্ন লীডারশীপ পজিশনে থেকে ইউনিভার্সিটি ও জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতার পরিচয় দিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশী স্টুডেন্ট, যিনি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এন্ড রিসার্চ স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন (PARSA)-এর প্রেসিডেন্ট ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে এবং জাতীয় পর্যায়ে কাউন্সিল ফর অস্ট্রেলিয়ান পোস্ট গ্র্যাজুয়েট এসোসিয়েশন (CAPA)-এর উইম্যান অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। একই সময়ে তিনি প্রথম বাংলাদেশী স্টুডেন্ট হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রিসার্চ কাউন্সিল (PRC)-এর সভাপতি হিসেবে এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির কাউন্সিল ও ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন প্রশাসনিক কমিটিতে স্টুডেন্ট প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত লীডারশীপ পজিশনসমূহে থাকা অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (ABC) টিভি নিউজ ও রেডিও’তে এবং বাংলা রেডিও ক্যানবেরা’তে তাঁর ইন্টারভিউ নেয়া হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান সরকারের বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম ও ওয়েবসাইটে ‘Latest News: Bangladeshi Awardee flies high at ANU’ এবং ‘Success Story’ শিরোনামে তাঁর সাফল্যের বিষয়গুলো প্রকাশিত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান সরকারের দুটি ওয়েবসাইটে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়ান এওয়ার্ডস এলামনাই স্টোরি’তে তাঁর সাফল্যের বিস্তারিত এবং গ্লোবাল এলামনাই স্টোরি’তে তাঁর একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। ড. নাজনীন প্রথম বাংলাদেশী যিনি ‘অস্ট্রেলিয়ান লীডারশীপ কনফারেন্স- ২০০৭’এ বক্তব্য রাখেন। উল্লেখ্য, উক্ত কনফারেন্সে বিশ্বের ৩২টা দেশের ১৮০ জন স্কলারের মধ্যে আয়োজকরা যে ৩জন (বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং কম্বোডিয়া) স্কলারকে নির্বাচন করেন- ড. নাজনীন তাদের একজন। আরো উল্লেখ্য, ড. নাজনীন প্রথম বাংলাদেশী স্টুডেন্ট, যিনি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলরের আমন্ত্রণে ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন গভর্ণর জেনারেল মান্যবর কুইন্টিন ব্রাইস এসি এবং অস্ট্রেলিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মাননীয় কেভিন রাড এমপি’র সাথে সাক্ষাতের সুযোগ পান। তিনি বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া এওয়ার্ডস উইম্যান ইন লীডারশীপ নেটওয়ার্ক- এর ‘দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও মঙ্গোলিয়া’ এবং ‘বাংলাদেশ’, উভয় চ্যাপ্টারের কোর গ্রুপে দায়িত্ত্বপালন করছেন। উল্লেখ্য, ড. নাজনীন সরকারের বেশ ক’টি গুরুত্ত্বপূর্ণ দপ্তর/সংস্থার ‘উইং প্রধান’, ‘অফিস প্রধান’ ও ‘প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা’ পদে প্রথম নারী হিসেবে দায়িত্ত্বপালন করেন ও নেতৃত্ব দেন। তিনি দেশ ও বিদেশ হতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেশ ক’টি এওয়ার্ড ও সম্মাননা অর্জন করেন।

 

ড. নাজনীনের পিতা ভাষাসৈনিক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মরহুম বদিউল আলম চৌধুরী চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীর ঐতিহ্যবাহী নাজির বাড়ীর জমিদার মরহুম ফয়েজ আলী চৌধুরীর নাতি। ড. নাজনীনের মাতা মরহুম লুৎফা বেগম সুরাইয়া চৌধুরী কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঢেমুশিয়া জমিদার বাড়ী’র জমিদার মরহুম জামালউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী (প্রকাশ মাইজ্জা মিয়া/ আহমদ মিয়া)’র কন্যা। ড. নাজনীনের স্বামী অধ্যাপক ডাঃ জিয়াউল আনসার চৌধুরী ‘নাক-কান-গলা রোগ এবং হেড-নেক সার্জারী’ বিশেষজ্ঞ ও বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ড. নাজনীন দুই সন্তানের জননী। তাঁর বড় সন্তান নাহিয়ান বুশরা চৌধুরী যুক্তরাজ্যের এডিনবরা ইউনিভার্সিটি, স্কটল্যান্ড থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মাস্টার্স (অনার্সসহ) সম্পন্ন করে বর্তমানে যুক্তরাজ্যে কর্মরত। তাঁর ছোট সন্তান আরিক নাওয়াল চৌধুরী অস্ট্রেলিয়ার ম্যাককুয়ারী ইউনিভার্সিটি, সিডনী থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘PACE Prize’সহ ব্যাচেলর ডিগ্রী সম্পন্ন করে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত।    

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন